স্বপ্নে রঙ্গিন পাখি ওড়ে
পুষ্পিত মুখোপাধ্যায়
আগে স্বপ্নকে ভয় পেয়েছি। স্বপ্নে কুৎসিত সরীসৃপ ঘুরে বেড়াত, আমি কুঁকড়ে থেকেছি। কালো মেঘেরা ভিড় করে আসত আমার ঘুমে। সেই চ্যাটচেটে ঘুমে। কেন সুগন্ধ মাখামাখি হয়ে থাকত না। আমি একটার পর একটা বসন্ত পার করে এসেছি, মেদহীন , রংহীন সেসব বসন্ত! আমার ভেতরে একটা পুরুষ সুগন্ধ সন্ধানী এক পুরুষ, রঙ্গিন পাখীর সন্ধানে থাকা একটা মানুষ সুগন্ধিত এক কুসুমের খোঁজে চোখ মেলে বসে থেকেছে দিনের পর দিন, হঠাত কেন যেন সেই সর্বশক্তিমান জাদুকর সুগন্ধিত চামর দুলিয়ে ঝাঁকড়ে দেয় আমাকে, জানি না, আমার অতৃপ্তির সাগরে এক মুঠো রঙ্গিন গুলাল ছড়িয়ে দিল। আহা শেষ ঘণ্টা সোনার আগে! েতেই আমি আবার দুলে উঠি, মনোরম, এক উদ্যানে এসে পড়লাম। সেই বাগিচার একটা নাম আছে বৃষ্টি।
কারুর জাদুকাঠির ছোঁয়ায় আমার খরা বিজন প্রদেশে বৃষ্টি নেমে আসায় আমার আবার ঘুরে দাঁড়াতে ইচ্ছা করল। আমার মাথার ওপর ঝুলে থাকা সেসব কালমেঘ দুহাতে সরিয়ে দিয়েছে বৃষ্টি । আপাদসম্ভক ভিজেছি প্রেমে ভালোবাসায়। সেই মহার্ঘ বস্তুর স্পর্শে নিজেকে বড় ধন্য মনে হয় প্রিয়ে, তুমি সেই অপার্থিব প্রেম দান করলে , আমি কৃতার্থ হলাম। সুগন্ধিত বৃষ্টির আঁচল জড়িয়ে নিজেকে কেন তরতাজা যুবক ভাবতে ভালো লাগল। একই তো বেঁচে থাকার মূলমন্ত্র। তোমাকে আতরের মত মেখে নিতেই ঘুমিয়ে থাকা রঙ্গিন সে পাখী আবার উড়ালে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। সারা জীবন শুধু কাঁকড় , পাথর জড়ো করে আসছিলাম। তুমি বসরা গোলাপ হয়ে সুগন্ধ কুড়তে দিলে। আপ্লুত হলাম আমি।
পুষ্পিত মুখোপাধ্যায়
আগে স্বপ্নকে ভয় পেয়েছি। স্বপ্নে কুৎসিত সরীসৃপ ঘুরে বেড়াত, আমি কুঁকড়ে থেকেছি। কালো মেঘেরা ভিড় করে আসত আমার ঘুমে। সেই চ্যাটচেটে ঘুমে। কেন সুগন্ধ মাখামাখি হয়ে থাকত না। আমি একটার পর একটা বসন্ত পার করে এসেছি, মেদহীন , রংহীন সেসব বসন্ত! আমার ভেতরে একটা পুরুষ সুগন্ধ সন্ধানী এক পুরুষ, রঙ্গিন পাখীর সন্ধানে থাকা একটা মানুষ সুগন্ধিত এক কুসুমের খোঁজে চোখ মেলে বসে থেকেছে দিনের পর দিন, হঠাত কেন যেন সেই সর্বশক্তিমান জাদুকর সুগন্ধিত চামর দুলিয়ে ঝাঁকড়ে দেয় আমাকে, জানি না, আমার অতৃপ্তির সাগরে এক মুঠো রঙ্গিন গুলাল ছড়িয়ে দিল। আহা শেষ ঘণ্টা সোনার আগে! েতেই আমি আবার দুলে উঠি, মনোরম, এক উদ্যানে এসে পড়লাম। সেই বাগিচার একটা নাম আছে বৃষ্টি।
কারুর জাদুকাঠির ছোঁয়ায় আমার খরা বিজন প্রদেশে বৃষ্টি নেমে আসায় আমার আবার ঘুরে দাঁড়াতে ইচ্ছা করল। আমার মাথার ওপর ঝুলে থাকা সেসব কালমেঘ দুহাতে সরিয়ে দিয়েছে বৃষ্টি । আপাদসম্ভক ভিজেছি প্রেমে ভালোবাসায়। সেই মহার্ঘ বস্তুর স্পর্শে নিজেকে বড় ধন্য মনে হয় প্রিয়ে, তুমি সেই অপার্থিব প্রেম দান করলে , আমি কৃতার্থ হলাম। সুগন্ধিত বৃষ্টির আঁচল জড়িয়ে নিজেকে কেন তরতাজা যুবক ভাবতে ভালো লাগল। একই তো বেঁচে থাকার মূলমন্ত্র। তোমাকে আতরের মত মেখে নিতেই ঘুমিয়ে থাকা রঙ্গিন সে পাখী আবার উড়ালে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। সারা জীবন শুধু কাঁকড় , পাথর জড়ো করে আসছিলাম। তুমি বসরা গোলাপ হয়ে সুগন্ধ কুড়তে দিলে। আপ্লুত হলাম আমি।

No comments:
Post a Comment